Breaking News
Home / স্কলারশিপ / স্কলারর্শিপ এর ক্ষেত্রে যেসব তথ্য জেনে নেয়া প্রয়োজন

স্কলারর্শিপ এর ক্ষেত্রে যেসব তথ্য জেনে নেয়া প্রয়োজন

স্কলারর্শিপ এর ক্ষেত্রে যেসব তথ্য জেনে নেয়া প্রয়োজন।উচ্চশিক্ষার জন্য সবাই আশা করে থাকে ভালো একটা স্কলারশিপের। কিন্তু এই স্কলারশিপ নিতে হলে আসলে কি কি করতে হয়, তাই হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। আসুন জেনে নেই স্কলারশিপের জন্য কি কি করতে আপনাকে।বিদেশে স্কলারশিপ নিয়ে যারা পড়তে যেতে চান, তাদের অনেকেই কীভাবে স্কলারশিপ খুঁজতে হয় সেই বিষয়টি নিয়ে দ্বিধায় থাকেন। এই লেখায় আমরা বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার কিছু পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করবো। তবে লেখাটি মূলত সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের আওতায় যেসব বিষয় রয়েছে, তাদের জন্যই প্রযোজ্য। তাছাড়া লেখাটিতে মূলত মাস্টার্স, এমফিল ও পিএইচডিতে স্কলারশিপের প্রসঙ্গই আলোচনা করা হবে। তবে এই প্রক্রিয়া ছাড়াও ভিন্নভাবে চেষ্টা করেও স্কলারশিপ পাওয়া সম্ভব।

স্কলারর্শিপ এর ক্ষেত্রে যেসব তথ্য জেনে নেয়া প্রয়োজন

দেশের বাইরে যেসব শিক্ষা পাবেন

বাংলাদেশ থেকে যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে আসে তাদের আশি শতাংশই পিএইচডি প্রোগামে কিংবা এমএস প্রোগামে। তবে এই ক্ষেত্রে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদেরই কেবল জয়জয়কার। বর্তমানে কিছু কিছু আন্ডারগ্রাজুয়েট প্রোগামেও শিক্ষার্থীরা আসছে।

স্কলারশিপের লক্ষ্য

এই শব্দটির গুরুত্ব আমার কাছে সবচেয়ে বেশি কারণ লক্ষ্য ছাড়া কোন গন্তব্যই মজবুত হয় না কিংবা হতে পারে না। তাই যারা বিদেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী কেবল লক্ষ্যভেদীরাই তাদের ন্যায্য অধিকারটুকু আদায় করতে পারে। আমাদের গোড়া পত্তনের শিক্ষায় যে প্রলেপ থাকে তা কেবল বৃষ্টিস্নাত অবস্থায় এসিডরেইনের হলদে ভাবটায় কেবল বিরাজ করে। বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের পড়াশোনায় অধিকাংশ শিক্ষার্থীর মনে শঙ্কা বিরাজ করে। তৃতীয় বর্ষ পাশ করার পর এই চিন্তাটি মস্তিষ্কের সর্বত্র সিগন্যাল দেয় যে এইদেশে চাকরি নাই, এতো পড়াশোনার দরকার কি ইত্যাদি। আবার কেউ কেউ উচ্চবর্গীয় রেজাল্ট করে নিজের সম্ভবনাটুকুকে সামনে প্রজ্জ্বলিত করে ক্ষণিকের জন্য হলেও স্তিমিত হয়ে যায়। তাই লক্ষ্যটি ঠিক করা একজন শিক্ষার্থীর আবশ্যিক কর্ম বলে আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি। তেমনি বিদেশে শিক্ষা গ্রহণ করতে যাওয়ার বাসনাটিও তীব্র থেকে তীব্রতর হওয়া প্রয়োজন।

স্কলারর্শিপ এর ক্ষেত্রে যেসব তথ্য জেনে নেয়া প্রয়োজন

 

স্কলারশিপের সিদ্ধান্ত গ্রহণ

*  প্রথমেই ঠিক করতে হবে আপনি কোন পর্যায়ে পড়তে চান? মাস্টার্স নাকি এমফিল নাকি পিএইচডি? পাশাপাশি পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে যে এক থেকে দু’বছরের মতো সময় লাগবে, সেই ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারবেন কিনা, সেই সিদ্ধান্তও নিতে হবে আপনাকে।

*  সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর আপনার অনার্স ও মাস্টার্সের (যদি থাকে) ফল অনুসারে কোন দেশের কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে চান, তার একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করে ফেলুন। এক্ষেত্রে আমরা পরামর্শ দিবো, তিন থেকে চারটি দেশ নির্ধারণ করুন। প্রতিটি দেশ থেকে একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় (ও ফ্যাকাল্টি) বাছুন।

*  এভাবে কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয় বাছার পর আপনি যে পর্যায়ে পড়তে যেতে চান, তার সঙ্গে আপনার যোগ্যতা মিলে কিনা দেখে নিন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েব সাইটগুলোতেই এ-সম্পর্কে বিস্তারিত দেয়া থাকে। যদি কোথাও ঘাটতি থাকে, তাহলে সে অনুসারে প্রস্তুতি নিতে হবে।

আরো দেখুন

সার্কিট বেকার কাকে বলে । সার্কিট ব্রেকার কিভাবে কাজ করে

স্কলারশিপের পূর্বপ্রস্তুতি

# এখন আপনার পূর্বপ্রস্তুতি নেওয়ার পালা। সেক্ষেত্রে আপনাকে প্রথমেই আইইএলটিএস দিতে হবে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ন্যূনতম আইইএলটিএস ব্যান্ড স্কোর চায় ৭.০ এবং প্রতিটি সেকশনে ৬.৫। আপনি যে বিষয়ে পড়তে চান, সেই বিষয়ের চাহিদা দেখে সে অনুযায়ী আইইএলটিএসের প্রস্তুতি নিয়ে টেস্টটি দিয়ে দিন।অনেকে মনে করেন, আইইএলটিএস পরে দিলেও হয়। কথাটি সত্য। কিন্তু আপনাকে যেহেতু দীর্ঘদিন ধরে প্রস্তুতি নিয়ে বিদেশে স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য আবেদন করতে হবে, তাই তৈরি হয়ে কাজে নামাই শ্রেয়।

*  মাস্টার্স বা পিএইচডির জন্য খুব ভালো হয় আপনার যদি ভালো মানের জার্নালে অন্তত একটি জার্নাল আর্টিক্যাল থাকে। এটি আপনাকে স্কলারশিপ পেতে সহায়তা করবে। যদি না থাকে, তাহলে চেষ্টা করুন, এক বছরের মধ্যে কোনো একটি গবেষণার কাজ করে কিংবা আপনার শিক্ষকের সঙ্গে সহকারী হয়ে কো-অথর হয়েও একটি ভালো জার্নাল প্রবন্ধ প্রকাশ করা যায় কিনা। মনে রাখতে হবে, জার্নাল আর্টিক্যাল প্রকাশ করতে গিয়ে যেন কোনো বাজে, ভূয়া বা প্রিডেটরি জার্নালে আর্টিক্যাল প্রকাশ করবেন না। এতে হিতে বিপরীত হবে।

# আবেদন করার জন্য আপনার সমস্ত সার্টিফিকেট, মার্কশিট, ট্রান্সস্ক্রিপ্ট, পাসপোর্ট, আইডি কার্ডসহ যাবর্তীয় ডকুমেন্ট স্ক্যান করে একটি ফোল্ডারে রেখে দিন।

*  সময় নিয়ে একটি সিভি বানান। এ-ধরনের আবেদনের ক্ষেত্রে কীভাবে সিভি বানাতে হয়, তার অসংখ্য নমুনা কোনো সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিলেই পাবেন।

*  আবেদনের সময় তিনজনের রেকমেন্ডেশন লেটার লাগবে। এক্ষেত্রে চেষ্টা করুন, আপনি যার অধীনে থিসিস করেছেন, তাঁদের অনুমতি নিয়ে জানিয়ে রাখুন যে, আপনি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কলারশিপ পাওয়ার জন্য আবেদন করছেন। আবেদনের এক পর্যায়ে তাঁদেরকে আপনার সম্পর্কে লিখতে হবে।

*  আপনাকে একটি স্টেইটমেন্ট অব পারপাস বা এসওপি লিখতে হবে। কেন ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে যেতে চান, সেটিই মূলত ওখানে সুন্দর করে ফুটিয়ে তুলতে হবে। সার্চ করলে প্রচুর এসওপি পাবেন নেটে, কিন্তু সাবধান! কখনওই এগুলো কপি করবেন না, এসওপি সময় নিয়ে নিজের মতো করে লিখুন। ইংরেজি ভালো জানেন, এমন কাউকে দেখিয়ে নিন।

*  এসব তৈরি করার পাশাপাশি আপনি যেসব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে চান ও স্কলারশিপ পেতে চান, সেখানকার প্রফেসরদের প্রোফাইল দেখুন। আপনার আগ্রহের সঙ্গে যাদের কাজের মিল আছে, তাদের জার্নাল আর্টিক্যালগুলো পড়ুন।

স্কলারশিপের গবেষণা

পিএইচডি যারা করতে চান, তাদের জন্য গবেষণাপত্রটি থাকা জরুরি। আর মাস্টার্স পর্যায়ের কোন থিসিসের প্রয়োজন নেই। সুতরাং বাংলাদেশে মাস্টার্স করে যারা বাইরে পিএইচডি করতে আগ্রহী তাদের জন্য এই থিসিস জিনিসটি থাকা আবশ্যিকই বটে। তবে যাদের থিসিস নেই তারা দেশে মাস্টার্স করার পরও বাইরে মাস্টার্সের জন্য আবেদন করতে পারেন। সেই ক্ষেত্রে আপনার থিসিসের কোন মূল্য নেই। আমাদের দেশের শ্রদ্ধেয় শিক্ষকরা বিশেষ করে বিজ্ঞানের বিভাগগুলোতে কেবল মাত্র আন্ডারগ্রাজুয়েটে ফলাফল ভালকারীদের এই থিসিস করার সুযোগ দেন। আমি সম্মানীয় শিক্ষকদের অনুরোধ করবো, আপনাদের এই বদ্ধমূল ধারনা থেকে বের হয়ে আসুন। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি আপনারা অধিকাংশ দেশের বাইরে পড়াশোনা করে গিয়েছেন। আপনাদের সেই অভিজ্ঞতা আছে। বাইরে বিশেষ করে বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা স্নাতক পর্যায়ের তৃতীয় বর্ষ থেকে গবেষণায় যুক্ত হয়।

পাসপোর্ট তৈরি করণ

আপনি যদি মনে প্রাণে ধরে নেন যে আপনি বিদেশে পড়াশোনা করতে আসবেন তাহলে অপেক্ষার পাল্লাটি কমিয়ে ফেলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব একটি পাসপোর্ট করে ফেলুন। কারণ আপনি যখন কোথাও আবেদন করবেন অনেক সময় এই জিনিসটি অধ্যাপকরা হরহামেশা চেয়ে বসে। শুধু নাগরিকত্ব প্রমাণের জন্য নয়, আপনার স্মার্টনেসটাও এখানে এসে প্রকাশ পায়।

অধ্যাপক \সুপারভাইজার অনুসন্ধান

বিদেশে একজন পূনাঙ্গ অধ্যাপকের ক্ষমতাই সবকিছু। তিনি যা করেন সেটি আইনে পরিণত হয়। তাই স্কলারশিপ পেতে হলে সুপারভাইজার বা অধ্যাপকের অনুসন্ধান ছাড়া কোন বিকল্প পথ নেই। একজন সুপারভাইজার যখন পেয়ে যাবেন তখন মনে রাখবেন আপনার সুযোগ ৯৫ শতাংশ হয়ে গেছে। আর এই কঠিন জিনিসটি পাওয়ারও জন্য বেশ কিছু নিয়মাবলী তুলে ধরছি। যদিও বিষয়টি বিজ্ঞানের শিক্ষার্থীদের জন্য শতভাগ কার্যকরী।

অধ্যাপকদের ই-মেইল আইডি হলো অধ্যাপকদের সাথে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম। তাই এই ই-মেইল আইডিটি আপনি বিভিন্ন ভাবে পেয়ে যাবেন। আমার দেয়া দুইটি কৌশল অনুসন্ধান করলে আপনাদের অন্য কোন নিয়ম অনুসরণ করতে হবে বলে আমি বিশ্বাস করি না। অধ্যাপকদের ই-মেইল আইডি সাধারণত জার্নাল পেপারগুলোতে থাকে।
১. সেই অনুযায়ী ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজি ইনফরমেশন হচ্ছে তথ্য ভান্ডার। এই ওয়েব সাইটে পাবমেডে গিয়ে পেয়ে যাবেন অধ্যাপকদের ঠিকানা ওই ই-মেইল আইডি।

২. প্রথমে এই http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/ লিংকে গিয়ে উপরের দিকে সার্চ অপশন পাবেন। সেখানে গিয়ে নিজের কাঙ্ক্ষিত শব্দটি দিয়ে নিমিষে পেয়ে যাবেন কয়েকশ জার্নাল। ধরুন আপনার সাবজেক্ট জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং। এই ক্ষেত্রে আপনি জেনেটিক্সের কোন টপিক দিয়ে দিলে অনেকগুলো জার্নাল পেয়ে যাবেন। অথবা আপনি ইচ্ছে করলে আপনার কাঙ্ক্ষিত দেশ কিংবা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম লিখেও সার্চ দিতে পারেন।

৩. এই বার একেকটি জার্নাল পেপার খুলুন। মুল শিরোনামের পরে ‘অথর ইনফরমেশন’ নামে একটি অপশন আছে সেখানে গিয়ে দেখুন, যে করেসপন্ডে্ন্ট অথরের ই-মেইল আইডি দেয়া আছে।

৪. এই পেপারগুলোতে শুধুমাত্র আবস্টাক্ট থাকে। অনেক সময় ই-মেইল আইডি নাও থাকতে পারে তবে এই ক্ষেত্রে ডানদিকে ফুলটেক্সট অথবা ফ্রি টেক্সট নামে পিডিএফ অপশন আছে। ওই মূল পেপারে অবশ্যই ই-মেইল আইডি পাওয়া যায়।

এই ভাবে এই মেইল আইডি সংগ্রহ করে প্রফেসরদেরকে ইমেইল করা শুরু করুন।যেহেতু বিদেশী শিক্ষা ব্যবস্থা গবেষণা ভিত্তিক। সেহেতু প্রফেসরদের ল্যাবের ঠিকানা পেতে গেলে আর একটি সহজ অপশন বলে দিতে পারি। আপনি গুগলে গিয়ে সার্চ অপশনে লিখে ফেলুন, ল্যাবরেটরির নাম।ধরুন আপনি পদার্থ বিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী। এই ক্ষেত্রে লিখতেই পারেন কোয়ান্টাম ল্যাবরেটরি। আমি যে বিষয়টি বলতে চাচ্ছি তা হলো, আপনার বিভাগের সাবজেক্টর মূল কয়েকটি শব্দ লিখে সাথে ল্যাবরেটরি লিখুন। দেখবেন সরাসরি ল্যাবের ঠিকানা চলে আসতেছে। আর ল্যাবের ঠিকানা পেলে সেখানে গিয়ে দেখুন মেম্বার নামে একটি অপশন আছে, যেখানে প্রফেসরদের সাথে যোগাযোগের জন্য ই-মেইল আইডি দেয়া আছে।

তৃতীয় অপশনটি জটিল, কিন্তু কাজে দেয়। এই ক্ষেত্রে অধ্যাপক ম্যানেজ করতে আর একটি অপশন রয়েছে। তবে এইটি অনেক সময়সাপেক্ষ। আপনি এই লিংকে গিয়ে পেয়ে যাবেন পৃথিবীর সব বিশ্ববিদ্যালয়ের ঠিকানা। http://www.4icu.org/ আপনি লিংকে গিয়ে আপনার মহাদেশ অনুযায়ী আপনার কাংক্ষিত দেশ, বিশ্ববিদ্যালয়ের লিংক পেয়ে যাবেন। একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের লিংকে গিয়ে সেখানে দেখুন, ফ্যাকাল্টি, ডিপার্টমেন্ট অপশন রয়েছে। ওই অপশনে গিয়ে ক্লিক করতে পেয়ে যাবেন বিস্তারিত তথ্য। অনেক সময় প্রফেসরদের ল্যাব ঠিকানা পাওয়া যায়। আর সেখানে গিয়ে খুঁজে নিন অধ্যাপকদের এই মেইল আইডি।

ডি ইঞ্জিনিয়ার্স নিউজ এর পোর্টালে ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সকল আপডেট সবার আগে পেতে আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন এবং ফেসবুক পেজে লাইক/ফলো দিয়ে রাখুন।

About E.H Emon

আস-সালামু আলাইকুম। আমার নাম মোঃ ইমদাদুল হক, এবং আমার ডাকনাম ইমন। আমি ঢাকার সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স ডিপার্টমেন্টের একজন শিক্ষার্থী। আমি ডি ইঞ্জিনিয়ার্স নিউজ এর সহকারী প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক। সব সময় আমার ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ইনফর্মেশন দিতে অত্যন্ত ভালো লাগে। সেই ভালোলাগা থেকেই এই ব্লগের উৎপত্তি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.