Breaking News
Home / উচ্চশিক্ষা / বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) হচ্ছে বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় প্রকৌশল-সম্পর্কিত উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এটি ঢাকা শহরের পলাশী এলাকায় অবস্থিত। কারিগরি শিক্ষা প্রসারের জন্য ১৮৭৬ সালে ঢাকা সার্ভে স্কুল নামে প্রতিষ্ঠিত স্কুলটি পরবর্তীতে আহসানউল্লাহ স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পরিণত হয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পরে এর নাম হয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়।

 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

বর্তমানে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ে ৭,০০০ জন ছাত্র-ছাত্রীর জন্য রয়েছে মোট ৮টি আবাসিক ছাত্রাবাস, তন্মধ্যে ছাত্রীদের জন্য ১টি পৃথক ছাত্রীনিবাস ছাড়াও কেবল স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ছাত্রদের জন্য ১টি ছাত্রাবাস আছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক এবং প্রভাষকসহ মোট শিক্ষক পদের সংখ্যা ৫৯২ জন। ২০১১ সালে প্রায় ৪৫০ জন শিক্ষক কর্মরত ছিলেন এবং বাকিরা বিভিন্ন গবেষণা ও উচ্চ শিক্ষার্থে বিদেশে অবস্থান করছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাজকর্ম পরিচালনার জন্য নিয়োজিত আছেন ২৩০ জন কর্মকর্তা ও ৯৫২ জন কর্মচারি। বিভিন্ন পাঠ্যক্রম ও শিক্ষা কার্যক্রম ছাড়াও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক অবদান রেখে চলেছে।

অধিভুক্তি: বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন
ধরনঃ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়
স্থাপিতঃ ১৮৭৬ (বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর: ১৯৬২)
উপাচার্য :

আচার্য:

সত্য প্রসাদ মজুমদার

রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ

শিক্ষায়তনিক ব্যক্তিবর্গঃ ৬০০+
শিক্ষার্থীঃ ১০,০০০+
সংক্ষিপ্ত নাম: বুয়েট
অবস্থানঃ
ঢাকা, ঢাকা, বাংলাদেশ
শিক্ষাঙ্গনঃ শহরের কেন্দ্রস্থলে, ৮৩.৯ একর (৩৩.৯৫ হেক্টর)
রঙসমূহঃ
মাসকটঃ Industrial Building
ওয়েবসাইটঃ www.buet.ac.bd

আরো দেখুন

ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর ( DUET)

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়  ইতিহাস

প্রাথমিক পর্যায়ে বুয়েট: বুয়েট ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে জরিপকারদের জন্য একটি জরিপ শিক্ষালয় হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৮৭৬ সালে তদানিন্তন ব্রিটিশ সরকার ঢাকা সার্ভে স্কুল নামে একটি প্রতিষ্ঠান চালু করেন। এর উদ্দেশ্য ছিল সেই সময়কার ব্রিটিশ ভারতের সরকারি কাজে অংশগ্রহণকারী কর্মচারীদের কারিগরী শিক্ষা প্রদান করা।

১৯০৫ সালে ঢাকার তৎকালীন খাজা আহসানউল্লাহ এ বিদ্যালয়ের প্রতি আগ্রহী হন এবং মুসলমানদের শিক্ষাদীক্ষায় অগ্রগতির জন্য বিদ্যালয়ে ১.১২ লক্ষ টাকা দান করেন। তাঁর মহৎ অনুদানে এটি পরবর্তীতে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষালয় হিসেবে প্রসার লাভ করে এবং তাঁর স্বীকৃতি হিসেবে ১৯০৮ সালে বিদ্যায়নটির নামকরণ করা হয় আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল।

আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুল তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্স দিতে শুরু করে পুরকৌশল, তড়িৎকৌশল এবং যন্ত্রকৌশল বিভাগে। শুরুতে একটি ভাড়া করা ভবনে বিদ্যালয়টির কার্যক্রম চলত। ১৯০৬ সালে সরকারি উদ্যোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হলের কাছে এর নিজস্ব ভবন নির্মিত হয়। এ স্থানের একটি উচুঁ চিমনি কিছুদিন আগেও এই স্মৃতি বহন করত। ১৯২০ সালে এটি বর্তমান অবস্থানে স্থানান্তরিত হয়।

শুরুতে বিদ্যালয়টি ঢাকা কলেজের সাথে সংযুক্ত ছিল। পরবর্তীতে এটি জনশিক্ষা পরিচালকের অধীনে পরিচালিত হতে থাকে। মিঃ এন্ডারসন এর প্রথম অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন। এরপর ১৯৩২ সালে শ্রী বি. সি. গুপ্ত ও ১৯৩৮ সালে জনাব হাকিম আলী অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বুয়েট : দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বাংলার শিল্পায়নের জন্য তৎকালীন সরকার ব্যাপক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। তখন এতদঞ্চলে দক্ষ জনশক্তির অভাব দেখা দেয়। তৎকালীন সরকার নিযুক্ত একটি কমিটি যন্ত্র, তড়িৎ, কেমি ও কৃষি প্রকৌশলে ৪ বছর মেয়াদী ডিগ্রী কোর্সে ১২০ জন ছাত্রের জন্য ঢাকায় একটি প্রকৌশল কলেজ স্থাপন এবং স্কুলটিকে তৎকালীন পলাশী ব্যারাকে স্থানান্তর করে পুর, যন্ত্র, ও তড়িৎ কৌশলে ৪ বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা কোর্সে ৪৮০ জন ছাত্র ভর্তির সুপারিশ করেন।

১৯৪৭ সালের মে মাসে সরকার ঢাকায় একটি প্রকৌশল কলেজ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন ও ছাত্র ভর্তির জন্য বর্তমান পশ্চিমবঙ্গের শিবপুরস্থ বেঙ্গল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ ও ঢাকায় আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলে পরীক্ষা নেয়া হয়।

দেশবিভাগের পর বুয়েট: ১৯৪৭ এর দেশবিভাগের ফলে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং স্কুলের মুষ্টিমেয় কয়েকজন শিক্ষক ছাড়া বাকী শিক্ষকদের সবাই ভারতে চলে যান ও ভারত থেকে ৫ জন শিক্ষক এ স্কুলে যোগদান করেন। ১৯৪৭ এর আগস্ট মাসে এটিকে আহসানউল্লাহ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ রুপে উন্নীত করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদ হিসেবে। জনাব হাকিম আলী এর অধ্যক্ষ নিযুক্ত হন।

১৯৪৮ সালের ফেব্রুয়ারীতে তৎকালীন পূর্ব-পাকিস্তান সরকার এই কলেজটিকে অনুমোদন দেন এবং এটি তখন পুরকৌশল, তড়িৎ প্রকৌশল, যন্ত্র প্রকৌশল, কেমিকৌশল, কৃষি প্রকৌশল ও টেক্সটাইল প্রকৌশল বিভাগে চার বছর মেয়াদী ব্যাচেলর ডিগ্রী এবং পুরকৌশল, তড়িৎ প্রকৌশল ও যন্ত্র প্রকৌশল বিভাগে তিন বছর মেয়াদী ডিপ্লোমা প্রদান করতে শুরু করে।

তবে শেষ পর্যন্ত কৃষি ও টেক্সটাইলের পরিবর্তে ধাতব প্রকৌশল অন্তর্ভুক্ত হয়। ১৯৫৬ সালে কলেজে সেমিস্টার প্রথা চালু হয় ও নতুন পাঠ্যক্রম অনুমোদিত হয়। ১৯৫৭ সালে ডিগ্রী কোর্সে আসন সংখ্যা ১২০ থেকে বাড়িয়ে ২৪০ করা হয়। ১৯৫৮ সালে কলেজ থেকে ডিপ্লোমা কোর্স বন্ধ করে দেয়া হয়।

আরো দেখুন

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট)

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-(পাবিপ্রবি)

যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়-(JUST)

অবস্থান

প্রকৌশল তথা কারিগরি শিক্ষার ক্ষেত্রে দেশের শীর্ষস্থানীয় ও প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রধানত পাঁচটি বহুতলবিশিষ্ট ভবন সমন্বয়ে রাজধানী শহর ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত।

বিস্তারিত দেখুন গুগল ম্যাপে

যোগাযোগের ঠিকানা হল-

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)

East Campus

  • Dhaka-1000, Bangladesh
  • Fax : (880 2) 8613046
  • PABX : (880 2) 55167100, 55167228-57

West Palashi Campus

  • ECE Building, Azimpur Rd
  • Dhaka-1205, Bangladesh
  • [7:22 PM]

HELP DESK

  • support@iict.buet.ac.bd
  • mobile: 01797329125 (9 AM to 8 PM) ;
  • (PABX):+880-2-55167100, +880-2-55167228-57; 6219 (9 AM to 8 PM)
  • NOC (PABX): 6530 (office hours)
  • Repair Lab (PABX): 6548 (office hours)

 

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় অনুষদ এবং বিভাগ সমূহ

বুয়েটে জ্ঞান-বিজ্ঞান সম্প্রসারণ এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তিতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে বুয়েটে ৪টি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় এবং বর্তমানে ৫ টি অনুষদের অধীনে ১৮ টি বিভাগ রয়েছে।নিচে এগুলো ছক আকারে দেওয়া হয়েছে:

স্থাপত্য এবং পরিকল্পনা অনুষদ পুরকৌশল অনুষদ প্রকৌশল অনুষদ যন্ত্র কৌশল অনুষদ তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল অনুষদ ইনস্টিটিউটসমূহ
১.স্থাপত্য বিভাগ ১.পুরকৌশল বিভাগ ১.কেমিকৌশল বিভাগ ১.যন্ত্রকৌশল বিভাগ ১.তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ ১.তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট (আইআইসিটি)
২.নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ ২.পানি সম্পদ কৌশল বিভাগ ২.বস্তু ও ধাতব কৌশল বিভাগ ২.নৌযান ও নৌযন্ত্র কৌশল বিভাগ ২.কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগ ২.পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (আইডব্লিউএফএম)
৩.মানবিক বিভাগ ৩.রসায়ন বিভাগ ৩.শিল্প ও উৎপাদন কৌশল বিভাগ ৩.জৈব চিকিৎসা কৌশল বিভাগ ৩.এপ্রোপ্রিয়েট টেকনোলজি ইনস্টিটিউট (আইএটি)
৪.গণিত বিভাগ ৪.দুর্ঘটনা গবেষণা ইন্সটিটিউট (এআরআই)
৫.পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ
৬.পেট্রোলিয়াম ও খনিজ সম্পদ কৌশল বিভাগ

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস

বুয়েট ক্যাম্পাস ঢাকার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত। এটি একটি ছোট্ট ক্যাম্পাস। ছাত্রদের আবাসিক হলগুলো একাডেমীর ভবন থেকে হাঁটার দূরত্বে অবস্থিত। বর্তমানে ক্যাম্পাসের আয়তন হল ৭৬.৮৫ একর (৩১১,০০০ ব.মি.)।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় স্বাস্থ্যকেন্দ্র

বুয়েটে স্বাস্থ্য রক্ষার মৌলিক সুবিধাদি সংবলিত একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র ( বুয়েট হেলথ কমপ্লেক্স) রয়েছে। রোগ নির্ণয়ে সহায়ক অত্যাধুনিক এক্স-রে মেশিন, আলট্রাসনোগ্রাম, ই.সি.জি. মেশিন এবং আধুনিক স্বয়ংসম্পূর্ণ একটি প্যাথলজিক্যাল ল্যাব আছে।

মিলনায়তন

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১০৩৬ আসনের একটি কেন্দ্রীয় মিলনায়তন কমপ্লেক্স রয়েছে। এতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রকসহ আধুনিক সকল সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান। এ কমপ্লেক্সে মিলনায়তন ছাড়াও ১৮৬ আসনের সেমিনার কক্ষ ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ক্যাফেটেরিয়া রয়েছে। এছাড়া পুরকৌশল ভবনের দোতলায় ২০০ আসনবিশিষ্ট আরেকটি সেমিনার কক্ষ আছে। শিক্ষা ও বিনোদনের জন্য চলচ্চিত্র প্রদর্শনের জন্য এতে ৩৫ ও ১৬ মি. মি. ফিল্ম প্রোজেক্টর রয়েছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরী

প্রায় ২০,০০০ বর্গফুট জুড়ে বিশ্ববিদ্যালয় লাইব্রেরীর চারতলা ভবনটি ক্যাম্পাসের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত। লাইব্রেরীতে আধুনিক সকল সুবিধা রয়েছে। এখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে একসাথে প্রায় ২০০ জন ছাত্রের একসাথে পড়ার ব্যবস্থা আছে। বুয়েট লাইব্রেরীতে রেফারেন্স ও জার্নালের একটি বিশাল সংগ্রহ রয়েছে। রিপোগ্রাফিক বিভাগ নামে একটি বিভাগ রয়েছে যাতে রেফারেন্স বই ফটোকপি করার ব্যবস্থা রয়েছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি

বুয়েটের ভর্তি বিজ্ঞপ্তি বুয়েটের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয় ,যখন ভর্তির সময় হবে অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আবেদন করতে পারবেন।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আবাসিক হলসমূহ

হলের নাম বর্তমান প্রভোস্ট আসনসংখ্যা
আহসান উল্লাহ হল অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শাহজাহান মন্ডল ৩৬৪ (পশ্চিম)
২৩৭ (উত্তর)
তিতুমীর হল অধ্যাপক ড. জীবন পোদ্দার ৪৩৯
কাজী নজরুল ইসলাম হল অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্দুল বাছিত ৩২১
ছাত্রী হল অধ্যাপক ড. উম্মে কুলসুম নাভেরা ৪৭৮
শের-এ-বাংলা হল অধ্যাপক ড. এ.কে.এম মঞ্জুর মোর্শেদ ৪২০
সোহরাওয়ার্দী হল অধ্যাপক ড. শেখ আনোয়ারুল ফাত্তাহ ৪৩৬
ড. এম. এ. রশীদ হল অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াছ ৪৬৮
শহীদ স্মৃতি হল অধ্যাপক ড. মো. শহীদুল ইসলাম ২০৬

 সংগঠন সমূহ

ছাত্র সংগঠন : অধ্যাদেশ ১৯৬২ অনুযায়ী বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে সকল সাংগঠনিক রাজনীতি নিষিদ্ধ করা হয়েছে । আবরার ফাহাদ নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্রকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. সাইফুল ইসলাম ক্যাম্পাসে সব ধরনের ছাত্র রাজনীতি এবং রাজনৈতিক সংগঠন ও তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী, ক্যাম্পাসে শিক্ষক রাজনীতিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বিজ্ঞান সংগঠন

  • সত্যেন বোস বিজ্ঞান ক্লাব
  • বুয়েট নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং ক্লাব
  • অটোমোবাইল ক্লাব
  •  এনার্জি ক্লাব
  •  রোবোটিক্স সোসাইটি

 

ডি ইঞ্জিনিয়ার্স নিউজ এর পোর্টালে ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। সকল আপডেট সবার আগে পেতে আমাদের নিউজ পোর্টাল ভিজিট করুন এবং ফেসবুক পেজে লাইক/ফলো দিয়ে রাখুন।

About E.H Emon

আস-সালামু আলাইকুম। আমার নাম মোঃ ইমদাদুল হক, এবং আমার ডাকনাম ইমন। আমি ঢাকার সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ইলেকট্রনিক্স ডিপার্টমেন্টের একজন শিক্ষার্থী। আমি ডি ইঞ্জিনিয়ার্স নিউজ এর সহকারী প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক। সব সময় আমার ইঞ্জিনিয়ার শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ইনফর্মেশন দিতে অত্যন্ত ভালো লাগে। সেই ভালোলাগা থেকেই এই ব্লগের উৎপত্তি।

Check Also

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)

চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) একটি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়। চট্টগ্রাম শহর থেকে ২৫ কিমি দূরে …

Leave a Reply

Your email address will not be published.